একটু পরিশ্রমের পরই বুক ব্যথা করে

একটু পরিশ্রমের পরই বুক ব্যথা করে



Chest pain after hard working



প্রতিদিনই আমাদের কাছে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে রোগীরা আসেন। কিছুদিন পূর্বে একজন রোগী এসেছিলেন, তার একটু পরিশ্রমের পরই বুক ব্যথা করে। অন্যান্য লক্ষনঃ সাধারনত এ সকল ক্ষেত্রে নিচের এক বা একাধিক লক্ষনও পাওয়া যায়, যেমনঃ • প্রথম • দ্বিতীয় • তৃতীয় • চতুর্থ • পঞ্চম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাঃ রোগী ডাক্তারের কাছে যাবার পর প্রাথমিক ভাবে সমস্যা/রোগ বুঝার জন্য কিছু বিষয় জেনে নেন, যেমনঃ • বর্তমানে কোন রোগের চিকিৎসা নিচ্ছেন কিনা • উক্ত রোগের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন লক্ষণ সম্পর্কে জেনে নেন, যেমনঃ ◦ জ্বর আছে কিনা ◦ হার্টের সমস্যা আছে কিনা ◦ ডায়াবেটিক আছে কিনা ◦ অন্যান্য কি কি রোগ বর্তমানে আছে বা ◦ কি কি রোগের ঔষধ বা চিকিৎসা নিচ্ছেন • রোগীর বয়স (বয়স ৪০ পার হবার পর হতে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হতে থাকে) • রোগী পুরুষ বা নারী (মহিলাদের কিছু কমন রোগ রয়েছে ) • গত কিছু দিনের হিস্ট্রি (history) জেনে নিবেন • পূর্ববর্তী কোন রোগের রিপোর্ট যদি থাকে তা ভালো • অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় চলুন জেনে নেই কি কি কারনে এ রোগ হতে পারেঃ একটি লক্ষন কোন একটি নির্দিষ্ট রোগের জন্য হয় না। যেমন জ্বর দেখে কখনই নিশ্চিত হয়ে বলতে পারবেন না যে এটা কি কারনে হয়েছে। জ্বর টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, রক্তের ইনফেকশন, ভাইরাল ফিভার, প্রস্রাবের নালীতে ইনফেকশন, শরীরের কোথাও প্রদাহ বা অন্য কারনেও হতে পারে। ঠিক একই ভাবে উক্ত রোগটি ও বিভিন্ন কারনে হতে পারে, উদাহরনঃ • প্রথম কারন • দ্বিতীয় কারন • তৃতীয় কারন • অন্যান্য কারন পরীক্ষাঃ === অনেক রোগী রয়েছেন যারা মনে করেন ডাক্তারগণ অযথা টেস্ট দিয়ে থাকেন, কিন্তু একবার ভাবুন সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয় না করে যদি চিকিৎসা দেয়া হয়, তবে ভালোর চেয়ে মন্দ হতে পারে, এতে রোগীই কস্ট পাবেন।কারন একটি লক্ষন কোন একটি নির্দিষ্ট রোগের জন্য হয় না। যেমন জ্বর দেখে আপনি দেখে বা শুনে কখনই নিশ্চিত হয়ে বলতে পারবেন না যে এটা কি কারনে হয়েছে। জ্বর টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, রক্তের ইনফেকশন, ভাইরাল ফিভার, প্রস্রাবের নালীতে ইনফেকশন, শরীরের কোথাও প্রদাহ বা অন্য কারনেও হতে পারে। টেস্ট ছাড়া নিশ্চিত হয়ে বলা মুশকিল। ভুল চিকিৎসা ভালোর চেয়ে মন্দ বয়ে আনতে পারে। === যেহেতু বিভিন্ন কারনে এ রোগ হতে পারে, তাই সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য লক্ষন বিবেচনা করে ডাক্তার কিছু টেস্ট করতে বলতে পারেন, যেমনঃ • টেস্ট-০১ • টেস্ট-০২ • টেস্ট-০৩ • অন্যান্য প্রাথমিক পরামর্শ: টেস্টের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত রোগের ধরন অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে ডাক্তার কিছু পরামর্শ দিতে পারেন, উদাহরনঃ • শক্ত ও সমান বিছানায় ঘুমাতে হবে, নরম ফোমের বিছানায় গুমানো যাবে না। • শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে • ঝুকে বা মেরুদণ্ড বাঁকা করে কোন কাজ করা যাবে না • নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। • নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করা প্রাথমিক ঔষধঃ টেস্টের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত প্রাথমিক ভাবে লক্ষন অনুযায়ী ডাক্তার কিছু ঔষধ দিতে পারেন, উদাহরণঃ • ঔষধ-০১ • ঔষধ-০২ • ঔষধ-০৩ • অন্যান্য ঔষধ চিকিৎসাঃ টেস্ট পর্যালোচনা করে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ঔষধ ও পরামর্শ দিবেন। যদি ঔষধের মাধ্যমে রোগের সমাধান হয় তবে ভালো, অন্যথায় রোগের ধরন অনুযায়ী সার্জারির প্রয়োজন হবে। সমস্যাটি যদি উক্ত ডাক্তারের আয়ত্তাধীন না হয় তবে তিনি সমস্যা অনুযায়ী অন্য ডাক্তারের নিকট রোগীকে পাঠিয়ে দিবেন। ============ এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে ‘ডেমো’ বা ‘স্যাম্পল’ বা ‘উদাহরণ’ স্বরূপ ‘dakaar.com’ এর এডমিন হতে দেয়া হয়েছে। কাজেই প্রদর্শিত তথ্যসমূহ সঠিক না হতে পারে। যে কোন পদক্ষেপের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ============

ঐশী ফার্মেসি

১২৪, মানিকদী বাজার, ইসিবি চত্বর হতে উত্তর দিকে , ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা - ১২০৬ , , ঢাকা

এস আলম খান শারিফ

মেডিসিন, গ্যাস্ট্রিক, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

একটু পরিশ্রমের পরই বুক ব্যথা করে

প্রদর্শিত মূল্য আপনি সরাসরি কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিবেন
daktaar.com আপনার কাছ হতে কোনরূপ টাকা গ্রহন করবে না
আবেদন সম্পন্ন হবার পর সার্ভিস বুকিং নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ হতে আপানার সাথে যোগাযোগ করা হবে।
বুকিং নিশ্চিত না হলে যেকোনো পদক্ষেপের পূর্বে প্রাপ্ত নাম্বারে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নিবেন।

এস আলম খান শারিফ

চেম্বারঃ ঐশী ফার্মেসি
-- মেডিসিন, গ্যাস্ট্রিক, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

এস আলম খান শারিফ

-- মেডিসিন, গ্যাস্ট্রিক, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
About

মানুষের সেবাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যদি কোন ব্যক্তি সামান্য উপকৃত হন, যদি আমাদের ওয়েবসাইট ব্যবহারের মাধ্যমে তার চিকিৎসা সেবা পাওয়ার পথ কিছুটা সহজ হয় তবেই আমরা সার্থক।

Disclaimer

প্রদত্ত তথ্য সমূহ রেজিস্টার্ড ইউজার কর্তৃক প্রদত্ত, যে কোন পদক্ষেপ নেয়ার পূর্বে ডাক্তার বা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করে নিন।